করোনা ভাইরাসের ভীতির কারণে ভারত (India) সহ বেশ কিছু দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। ভারত বিগত ২ দিন যথাক্রমে ৩৩০ জন ও ৩২৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে এনেছে। এই ভাইরাসের দরুন প্রায় ১ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। চিন্তার বিষয় এই যে, এখন অবধি এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করা সম্ভব হয়নি। এখন লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ভারত নিজের নাগরিকদের উদ্ধারের সাথে সাথে প্রতিবেশী দেশগুলির হয়েও উদ্ধার কার্য করছে। গতকাল ভোরে চীন থেকে একটা ফ্লাইট ৩২৩ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল যা সকাল ৯.৪৫ মিনিটে নেমেছিল।

ওই বিমানে ভারতীয়দের সাথে সাথে ৭ জন মালদ্বীপের নাগরিকও ছিল। ভারতের এই কার্যে একদিকে যেমন সাধারণ ভারতীয়রা খুশি প্রকাশ করেছে তেমনি মালদ্বীপের জনগণঅব ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। অনেকে বলেছেন ভারতের এই কাজ দেখিয়ে দিচ্ছে যে ভারতবর্ষ আগামীদিনে বিশ্বগুরুর রূপ নেবে। অনেকে আবার ভারতকে আঞ্চলিক সুপার পাওয়ার বলেও গণ্য করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত এশিয়া মহাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার পথে অগ্রসর হওয়ার প্রথম ধাপ যে শুরু করেছে তা এই কাজেই প্রমাণিত হয়। জানিয়ে দি, বিশ্বগুরু ও সুপার পাওয়ার হওয়ার মধ্যে একটা বড়ো অন্তর রয়েছে। সুপার পাওয়ার হওয়ার ক্ষমতা বিশ্বের অনেক দেশের রয়েছে, চেষ্টা করলেই সেটা সম্ভব। কিন্তু বিশ্বগুরু হওয়ার দক্ষতা একমাত্র ও শুধুমাত্র ভারতের রয়েছে।

সুপার পাওয়ার দেশের মধ্যে অনেক সময় অহংকার দেখা যায় অন্যদিকে বিশ্বগুরু শব্দের অর্থ শক্তিশালী হয়েও অন্যদের না দমিয়ে সকলকে সঙ্কট থেকে বের করে আনা। স্বামী বিবেকানন্দ ভারতকে বিশ্বগুরু বানানোর যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা যেন এবার এগিয়ে আসতে শুরু করেছে। মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা শাহি ভারতের পদক্ষেপের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।