উসেইন বোল্টের রেকর্ড ভেঙে দিলেন ভারতীয় যুবক! ১০০ মিটার দৌড়ালেন মাত্র ৯.৫৫ সেকেন্ডে

ভারত ভূমি তার বুকে একের পর এক মেধাবী, প্রতিভাশালী কন্যা পুত্রের জন্ম দিয়েছে। ভারতে যে প্রতিভার অভাব নেই তার প্রমান আবারও মিললো। শুধুমাত্র যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ভারতের প্রতিভা বিশ্বের সামনে আসতে পারে না। এখন দক্ষিণ ভারতের মাঙ্গালোর থেকে একটা বড়ো প্রতিভা প্রকাশ পেয়েছে যা পুরো বিশ্বের দৃষ্টি ভারতের দিকে আকর্ষিত করবে। আসলে এক ব্যাক্তি দৌড়ানোর দিক থেকে বিশ্বের দ্রূততম ব্যাক্তি উসেইন বোল্টকেও (Usain Bolt) হার মানিয়ে দিয়েছেন।

কর্ণাটকের মাঙ্গালোর এলাকায় ২৮ বছরের এক যুবক ১৪২.৫০ মিটার দৌড় শেষ মাত্র ১৩.৬২ সেকেন্ডে শেষ করছে। সুতরাং গড়ে ১০০ মিটারের দৌড় মাত্র ৯.৫৫ সেকেন্ডে সম্পূর্ণ করেছে। উসেইন বোল্ট ১০০ মিটার দৌড় সম্পূর্ণ করতে সময় নেই ৯.৫৮ সেকেন্ড যাকে টপকে দিয়েছে কর্ণাটকের এই যুবক। এই খবর সামনে আসতেই পুরো ভারত জুড়ে যুবকটিকে নিয়ে ব্যাপকহারে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেই যুবকটির নাম শ্রীনিবাস গৌড়া (Srinivas Gowda), যিনি বোল্টকে টপকে ভারতজুড়ে খ্যাতি অর্জন করে নিয়েছে। যুবক বলেছেন এটাই আমরা মোষেদের কৃতিত্ব রয়েছে। কারন তারা দৌড়েছে তাই আমিও তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে দৌড়েছি।

 

কর্ণাটকের কিছু এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মোষ দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। সেখানে প্রতিযোগিতায় মোষ এর সাথে দড়ি বেঁধে দৌড়াতে হয়।
অনেকেই বলেছেন যুবকটিকে যেন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করানো হয়। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, উসেইন বোল্ট একেবারে পরিষ্কার পরিছন্ন মাঠে প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু যুবকটি খালি পায়ে কাদা মাঠে দৌড়ে এই রেকর্ড গড়ে দিয়েছে।

কাশ্মীরে দেড় মাসে খতম ২০ জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদী গতিবিধি কমেছে ৬০ শতাংশ! জানালেন DGP দিলবাগ সিং

জম্মু কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুলিশ মহানির্দেশক দিলবাগ সিং (Dilbag SIngh) নয়া দিল্লীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) এর সাথে সাক্ষাৎ করে কেন্দ্র শাসিত জম্মু কাশ্মীরের সুরক্ষা পরিষদ সম্বন্ধ্যে অবগত করান। পুলিশ মহানির্দেশক বলেন, ২০২০ সালে এখনো পর্যন্ত দেড় মাসে গত বছরের তুলনায় জঙ্গি হিংসা ৬০ শতাংশ কমেছে।

উনি বলেন, বর্তমান আইন ব্যাবস্থার স্থিতিতে কোন বড় সমস্যা নেই। জঙ্গিদের এনকাউন্টারের জায়গায় পাথরবাজির ঘটনাও কমে গেছে। উনি বলেন, এই বছরের ১৩ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২০ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও শ্রীনগরে গ্রেনেড হামলায় অভিযুক্ত ১২ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় সেনা।

পুলিশ মহানির্দেশক জানান, মৃত জঙ্গিদের মধ্যে ১০ জন জইশ-এ-মোহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ছিল। অনুপ্রবেশ করা তিন তিন জঙ্গিকে টোল প্লাজায় খতম করা হয়েছে। জইশ এ মোহম্মদ ছাড়া বাকি জঙ্গিরা হিজবুল মুজাহিদ্দিনের জঙ্গি ছিল বলে জানান।

ডঃ জিতেন্দ্র সিং জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর সংযুক্ত অপারেশনের প্রশংসা করেন। উনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, উপরাজ্যপালের সাশনে জম্মু কাশ্মীরের আইনি ব্যবস্থায় বড় সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। দিলবাগ সিং বলেন, সার্ভিল্যান্স তন্ত্রকে আরও মজবুত করা হয়েছে। এর কারণে দক্ষিণ কাশ্মীরের সাত যুবক যারা জঙ্গি হতে চলেছিল, তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

পুলওয়ামার মতো আরেকটি হামলা হবে ভারতে! কংগ্রেস নেতা উদিত রাজ-র বিতর্কিত বয়ান

কংগ্রেস (congress) নেতা উদিত রাজ (Udit Raj) পুলওয়ামা হামলা (pulwama attack) নিয়ে একটি বিতর্কিত বয়ান দেন। উদিত রাজ অভিযোগ করে বলেন যে, বিজেপি (BJP) ২০১৯ এ পুলওয়ামাকে নির্বাচনী ইস্যু বানিয়ে জয়লাভ করেছিল। উদিত রাজ বলেন, ২০২৪ এর আগেও আরও একবার পুলওয়ামার মতো হামলা হতে পারে।

 

আরেকদিকে, উদিত রাজ রাহুল গান্ধীর সেই বয়ানকেও সঠিক বলেন, যেখানে রাহুল গান্ধী পুলওয়ামা হামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। উদিত রাজ ট্যুইট করে লেখেন, ‘রাহুল গান্ধী সঠিক প্রশ্ন করে বলেছেন, পুলওয়ামার তদন্তের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। যখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক খবর পেয়েছিল যে, CRPF রাস্তা দিয়ে যাবে বিমানে না, তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি দেওয়া উচিৎ হয়নি। এটা রাজনৈতিক লাভের জন্য করা হয়েছে।”

আরেকটি ট্যুইট করে উদিত রাজ বলেন, ‘পুলওয়ামার হামলার পর বিজেপির কর্মীর গোটা দেশে ক্যান্ডেল মার্চ করে। এটা বিরোধীদের কাজ ছিল, কিন্তু ক্ষমতায় থাকা বিজেপি এটিকে হাইজ্যাক করে নেয়। বিরোধীদের প্রশ্ন তোলা উচিৎ যে, ২৬/১১ তাজ হোটেল হামলায় BJP প্রশ্ন করেছিল যে হামলাকারীরা কি করে আসল? আমার মনে হয় কংগ্রেস অনেক দেরি করে এই প্রশ্ন করেছে।”

আপনাদের জানিয়ে দিই, এক বছর আগে ১৪ই ফেব্রুয়ারু জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের উপর জঙ্গিরা আত্মঘাতী হামলা করে। এই হামলায় ভারতের ৪০ জন জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন।

মোদীর সাথে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি, ট্যুইট করে জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প

আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নিজের ভারত সফর নিয়ে বেশ উৎসাহিত। ট্রাম্প শনিবার সকালে ট্যুইট করে জানান যে, তিনি ভারত সফর আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্যুইট করে লেখেন, ‘আমি সন্মানিত, মার্ক জুকারবার্গ সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ফেসবুকে একনম্বর স্থানে আছে। আর দ্বিতীয় স্থানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উল্লেখ্য, আমি দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতে যাচ্ছি। আর আমি এই সফরের অপেক্ষায় রয়েছি।”

ভারত আর আমেরিকার রাজনেতাদের এই সাক্ষাৎ বিশ্বের দুই সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করার একটি বড় চেষ্টা বলে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প নিজের স্ত্রী তথা আমেরিকার ফার্স্ট লেডি মেলোনিয়া ট্রাম্প ২৪ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি দুই দিবসের সফরে ভারত সফরে আসছেন। এই সফরে তিনি দিল্লী আর আহমেদাবাদে যাবেন।

ভারতের সফর করা ট্রাম্প লাগাতার চতুর্থ আমেরিকার রাষ্ট্রপতি। উনি গুজরাটের আহমেদাবাদ পৌঁছালে লক্ষ লক্ষ মানুষ ওনাকে স্বাগত জানাবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে বিশ্বের সবথেকে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হাজার হাজার মানুষের সামনে ভাষণ দেবেন।

তিনটি জ্যোতির্লিঙ্গকে একসাথে জুড়তে মহাকাল এক্সপ্রেসের শুভ সূচনা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ১৬ ই ফেব্রুয়ারি নিজের সংসদীয় ক্ষেত্র বারাণসীর (Varanasi) সফরে যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩০ টির বেশি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সফরে বারাণসী হিন্দু বিশ্ববদ্যালয়ে ৪৩০ বেডের সুপার স্পেশ্যালিটি সরকারি হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আইআরসিটিসি এর মহাকাল এক্সপ্রেসকে (Maha kaal Express) গ্রিন সিগন্যাল দেবেন। রাতভর চলা এই ট্রেন তিনটি তীর্থ কেন্দ্র বারাণসী, উজ্জয়ন আর ওঙ্কারেশ্বর-কে একসাথে যুক্ত করবে। এর সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী মোদী পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় মেমোরিয়াল সেন্টারে দীনদয়াল উপাধ্যায় এর ৬৩ ফুট উঁচু প্রতিমা উদ্বোধন করবেন।

এছাড়াও তিনি ভারতীয় রেলের পিএসইউ আইআরসিটিসি আম জনতার জন্য তিনটি কর্পোরেট ট্রেন উদ্বোধন করার জন্য প্রস্তুত। এই ট্রেন বারাণসী আর ইন্দোরের মধ্যে চলবে, আর এই ট্রেনের নাম কাশী মহাকাল এক্সপ্রেসের নাম দেওয় হয়েছে। এই ট্রেনের উদ্বোধন ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বারাণসী থেকে করা হবে। এরপর নিয়মিত রুপে এই ট্রেন শুরু হয়ে যাবে। এই ট্রেন আইআরসিটিসি দ্বারা চালানো লখনউ-মুম্বাই আর আহমেদাবাদ-মুম্বাই তেজস এক্সপ্রেসের অতিরিক্ত। এবার এই তিনটি ট্রেনই কর্পোরেট শ্রেণীতে চলে আসবে।

এই ট্রেন সারারাত চলা এসি ট্রেন। এই ট্রেন তিনটি জ্যোতির্লিঙ্গ ওঙ্কারেশ্বর, মহাকালেশ্বর আর কাশ্মি বিশ্বনাথ ছাড়া মধ্যপ্রদেশ রাজধানী ভোপাল এবং ইন্দোরের সাথে যুক্ত হবে। ট্রেনটি সপ্তাহে তিনবার চলবে। কাশী মহাকাল এক্সপ্রেস আইআরসিটিসি দ্বারা চলা তৃতীয় কর্পোরেট ট্রেন হতে চলেছে।

করোনা ভাইরাসের দরুন চীনের লোকজন ত্যাগ করছে মাংস জাতীয় খাদ্য, গ্রহণ করছে নিরামিষ ভোজন

চীনে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস ভয়ানক রূপ নিয়ে ফেলেছে। ব্যাপক দ্রুতগতিতে ছড়ানোর কারণে পরিস্থিতি সরকারের হাতের বাইরে চলে গেছে। ভাইরাসটি লাগাতার শক্তিশালী হচ্ছে এবং এর কোনো প্রতিষেধক এখনও তৈরি হয়নি। এখন শুধুমাত্র ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির শ্বাসবায়ুর মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। চীনের সরকারও ভাইরাসের সাথে লড়াই করতে যুদ্ধস্তরে কাজ চালাচ্ছে। চীনের সরকার মাত্র ১০ দিনের মাথায় বড়ো বড়ো হাসপাতাল নির্মাণ করার কাজ করছে। চীনের অভ্যন্তরে এমন আরো কিছু ঘটছে যা বিশ্বের সামনের আসছে না। আসলে চীনের মিডিয়া তাদের সরকার দ্বারা খুবই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করে।

এখন চীনে থেকে এও খবর আসছে যে সেখানে মানুষজন ব্যাপকহারে নিরামিষ খাওয়ার উপর মনযোগ দিয়েছে। চীনে মূলত বন্য প্রাণী, সাপ, ব্যাঙ, বাদুড় ইত্যাদি সবকিছুকেই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এখন কিছু গবেষক দাবি করেছেন করোনা ভাইরাস বন্য প্রাণীদের থেকেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

চীনে এখন তাই মানুষজন মাংস জাতীয় খাদ্য ত্যাগ করে ব্যাপক হারে নিরামিষ খাদ্য খাওয়া দাওয়া শুরু করেছে। ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন দাবি করেছে, পশু-প্রাণী খাওয়ার জন্য মানুষের দেহে ৭৫% রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রোটিন, ভিটামিন শাখ, সবজির মধ্যেও বর্তমান থাকে। কিন্তু মানুষ মাংসের প্রতি এমন নেশা তৈরি করে ফেলেছে যে তা এখন ভয়াবহ দিকে এগিয়ে চলেছে।

কিছু গবেষক আরও বলেছেন যে উহান শহরে খুব বড় স্লটার হাউস এবং মাংসের বাজার রয়েছে এবং করোনা ভাইরাস সম্ভবত সেখান থেকে ছড়িয়েছিল এবং এর পরে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও চীন সরকার এই দাবির বিষয়ে নীরর। অন্যদিকে কিছু কিছু সূত্র দাবি করেছে চীনের সরকার নিরামিষভোজী হওয়ার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত খবর এখনও সামনে আসেনি। কারণে চীনে মিডিয়া খুবই কড়াভাবে নিয়ন্ত্রিত।

কট্টরপন্থীদের অত্যাচারে পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢুকল ৩৪ হিন্দু পরিবারের ১২৮ জন

বিগত সাত দশক ধরে পাকিস্তানে (Pakistan) কট্টরপন্থীদের অত্যাচার সহ্য করা পাকিস্তানি হিন্দুদের (Pakistani Hindu) জন্য নাগরিকতা সংশোধন আইন (Caa) ভারতের (INDIA) নাগরিক হওয়ার জন্য একটি আশার আলো নিয়ে এসেছে। আর সেই আশাতেই বৃহস্পতিবার ৩৪ পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের ১২৮ সদস্য ভারতে এসেছেন।

File Pic

২৫ দিনের ভিসার সাথে ভারতে আসা এই হিন্দুরা হরিদ্বারে ধার্মিক যাত্রায় এসেছেন, কিন্তু তাঁরা এত কিছু নিয়ে এসেছে যে, সেটা দেখে বোঝা যাচ্ছে তাঁরা পাকাপাকি ভাবে ভারতে বসবাস করার উদ্দেশ্যে এসেছে। তাঁদের সামগ্রীর তদন্ত করতে অনেক সময়ও লেগে গেছে কাস্টমস এর আধিকারিকদের। এই হিন্দুদের বংশধরেরা রাজস্থানে থাকত। গুজ্জর জাতের এই হিন্দু পাকিস্তানিরা অনেক অত্যাচার সহ্য করে পাকিস্তানে ছিল এতদিন।

এরা যেই বাসে করে হরিদ্বার যাচ্ছিল, সেই বাস খারাপ হয়ে যায়। জেলা প্রশাসন এদের জন্য অন্য কোন বাসের ব্যবস্থা করে দেয়নি। সবাই আইসিপি এর বাইরে খোলা আকাশের নীচে রাত্রি যাপন করেছে। জেলা প্রশাসন এই যাত্রীদের রাত্রি যাপনের জন্যও কোন ব্যবস্থা করেছিল না। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের সাথে এরকম ব্যবহার প্রথম দেখা যাচ্ছে। কিছু যাত্রী ঠাণ্ডার থেকে বাঁচার জন্য আটারিতে দোকানের ত্রিপলের নীচে শরণ নিয়েছিল।

File Pic

পাকিস্তানে অতি দারিদ্র সীমার নীচে থাকা এই হিন্দু পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তাঁরা ২৫ দিনের ভিসায় ভারতে এসেছে। তাঁদের আত্মীয় রাজস্থানে আছে, আর তাঁরা পাকিস্তানে ফেরৎ যেতে চায়না। এই পাকিস্তানি হিন্দুরা রাজস্থানে তাঁদের আত্মীয়দের সাথেই থাকতে চায়।

ওঁরা হিংসার ভাষা বোঝে, জামিয়া শান্তির বার্তা দেয়! CAA বিরোধী প্রচারে গিয়ে বললেন অনুরাগ কাশ্যপ

দিল্লীর জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ায় (Jamia Millia Islamia) নাগরিকতা সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে বিরোধ প্রদর্শন হচ্ছে। বলিউড ডায়রেক্টর অনুরাগ কাশ্যপ (Anurag Kashyap) শুক্রবার জামিয়ায় যান। সেখানে তিনি খোলাখুলি ভাবে নিজের কথা বলেন। উনি বলেন, ‘ আমি জামিয়ায় প্রথমবার এসেছি, প্রথমে ভাবছিলাম আমি মরে গেছি। কিন্তু এখানে এসে মনে হচ্ছে না আমি মরিনি। আমি এখনো জীবিত। এই আন্দোলন দেখে মনে হচ্ছে আমি জীবিত। আমার কাছে এই আন্দোলন জামিয়া থেকেই শুরু হয়েছিল। এই লড়াই অনেক বড় লড়াই, আজ-কাল-পরসু অথবা নির্বাচনের সাথে শেষ হওয়ার মতো লড়াই না এটা।”

উনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করিনা যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কি করছে, আমি বিশ্বাস করি আপনারা কি করছেন। যারা কিছুই করছে না, তাঁরাও আপনাদের সাথে আছে। আমি শুধু মনের কথা বলছি। ওঁরা শুধু হিংসার ভাষা জানে। আপনারা ভালোবাসার ভাষা জানেন। আপনদের সাহস দেখে আমি ট্যুইটারে ফিরে এসেছি। সবাইকে ছেড়ে চলে গেছিলাম আমি।”

অনুরাগ বলেন, ‘ওঁরা অসংগত কথা বলে। প্রথমে ওঁরা বলেছিল, বিল আনবে না। তারপর বলল, তিনদিনের মধ্যে কথা বলবে। ওঁরা যেখানে থাকে, সেখানকার পরিস্থিতি বুঝে কথা বলে। আমি এখন আর শুনিনা। এই আন্দোলন কি হবে জানিনা। হোম মিনিস্টারের কাজ হল আমাদের সুরক্ষা দেওয়া। মিডিয়া আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। মিডিয়াও এখন ওদের মুখপাত্র হয়ে গেছে।”

অনুরাগ বলেন, জামিয়া হিংসায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের উচিৎ নিজের কাজ করা। পুলিশের এটা খুঁজে দেখা দরকার, ওঁরা কারা ছিল, যারা এই হিংসা ছড়িয়েছিল?

 

সিএএ বিরোধী প্রচারে গিয়ে জনতার রোষের মুখে কানহাইয়া কুমার! সভার আগেই জ্বালিয়ে দেওয়া হল মঞ্চ

কানহাইয়া কুমার (Kanhaiya Kumar) সিএএ (CAA), এনআরসি (NRC) আর এনপিআর (NPR) এর বিরুদ্ধে গোটা বিহারে জন গণ মন যাত্রা করছেন। এই যাত্রা ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে, আর ২৯ জানুয়ারি একটি বিশাল র‍্যালির সাথে শেষ হবে। কিন্তু কানহাইয়া কুমার যেই জেলাতেই যাচ্ছেন, সেখানে ওনাকে বিক্ষোভের সন্মুখিন হতে হচ্ছে। মনে হয়, এমন কোন জেলায় এখনো কানহাইয়া কুমার পা দেননি, যেখানে ওনাকে বিক্ষোভের সন্মুখিন হতে হয়নি।

বক্সারের জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার পর কানহাইয়া কুমার আজ দুপুরে আরায় যেতেন, কিন্তু ওনার আরা যাওয়ার আগেই সেখানে বিরোধীরা মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেন। কানহাইয়া ট্যুইট করে অভিযোগ করেন যে, বিরোধীরা ওনার মঞ্চে অনুষ্ঠানের আগেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আগুন লাগানোর পরেও কানহাইয়া কুমার বলেন যে, তিনি আরায় জনসভায় বক্তৃতা দেবেন।

কানহাইয়া ট্যুইট করে লেখেন, ‘আজ জন গণ মন যাত্রা বক্সার থেকে আরায় যাবে। গোডসে পেমিরা আরায় হওয়া সভায় গতকাল রাতেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু তাও আমি ওখানে যাব, ভালোবাসা দিয়ে ঘৃণা দূর করব। ইনক্লাব মঞ্চ না থাকলেও হয়।”

আপনাদের জানিয়ে রাখি, কানহাইয়ার কনভয়ে অনেকবারই হামলা হয়ে গেছে। কানহাইয়া এই যাত্রার সংযোজক অনুযায়ী, এখনো পর্যন্ত সাতবার তাঁর কনভয়ে হামলা হয়েছে। আর যদি এই হামলাও ধরা হয়, তাহলে আটবার হবে। এর আগে মঙ্গলবার বিহারে কানহাইয়ার উপর হামলা হয়েছিল। হামলায় কংগ্রেসের এক নেতার গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্টে খারিজ দোষী বিনয় শর্মার আবেদন! সমস্ত আইনি বিকল্পও হয়ে গেলো শেষ

সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্ভয়ার (Nirbhaya) দোষী বিনয় শর্মার (Vinay Sharma) আবেদন খারিজ করল। নির্ভয়ার অপরাধী দয়ার আবেদন খারিজ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবারও আদালতে গেছিল। এভাবেই এবার নির্ভয়ার চার দোষীর মধ্যে তিনজনের কাছে সমস্ত আইনি বিকল্প খতম হয়ে গেলো।

আদালত এই মামলায় শোনানির সময় বলে, বিনয়ের মেডিকেল রিপোর্ট বলছে যে, সে শারীরিক দিক থেকে সুস্থ আর তাঁর স্বাস্থ একজন সুস্থ ব্যাক্তির মতই। এই কারণ দেখে আদালত দোষী বিনয়ের আবেদন খারিজ করে দেয়। বিনয় শর্মার আইনজিবি এপি সিং সুপ্রিম কোর্টের সামনে দাবি করেছিল যে, বিনয় শর্মার সাথে জেলে লাগাতার প্রতারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও তাঁর উপরে অনেক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

আইনজীবী অভিযোগ করে বলেন যে, ভারতে প্রথমবার চার যুবককে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে, যাঁদের এর আগে কোন অপরাধীক রেকর্ড নেই। এই নিয়ে বিচারক বিনয় শর্মার আইনজিবিকে ধমক দিয়ে বলেন, আইনি দিক গুলো নিয়েই কথা বলুন। তখন এপি সিং আদালতে বলেন, বিনয়ের কোন অপরাধীক রেকর্ড নেই, সে এর আগে কোন অপরাধ করেনি। সে এক চাষি পরিবারের সদস্য।

আরেকদিকে, আইনজিবি বলেন, আমি অন্যায় থামাতে চাই, আধিকারিক ফাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আর দিল্লীর উপ রাজ্যপালের স্বাক্ষর নেই, এরজন্য আমি ফাইল নিয়ে তদন্ত করতে চাই।

Create your website with WordPress.com
Get started